মধুমেলার পঞ্চম দিন ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দর্শনার্থীদের ছিল উপচে পড়া ভীড়।

স্টাফ রিপোর্টার
0

 


পরেশ দেবনাথ, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি , যশোর, দৈনিক সারা দুনিয়া।


মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত-এঁর ২০১তম জন্মবার্ষিকী ও মধুমেলা-২০২৫ উপলক্ষ্যে তাঁর জন্মস্থান সপ্তাহ ব্যাপী অনুষ্টানের পঞ্চম দিন মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি-২৫) সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দর্শনার্থীদের ছিল উপচে পড়া ভিড়। দর্শকদের বেশী আকর্ষণ ছিল কৃষি মেলার দিকে।

১ম পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সমন্বয়ক যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), খান মাসুম বিল্লাহ। দুপুর ২ টায় কেশবপুর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সংগঠনসমূহঃ উল্লাস, কেশবপুর, যশোর। নজরুল সাংস্কৃতিক একাডেমি, কেশবপুর, যশোর। গোলাম আলী ফকির ফাউন্ডেশন, বেলকাটি, কেশবপুর, যশোর। শিল্পী সংঘ, পাঁজিয়া, কেশবপুর, যশোর। গানের তরী, বাঁশবাড়িয়া, কেশবপুর, যশোর। সুকান্ত সাহিত্য পরিষদ, কেশবপুর, যশোর।

২য় পর্ব রাত সাড়ে তিনটায় যশোর জেলা সদরের অংশগ্রহণকারী সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ হলো নন্দন,যশোর, সঙ্গীত। ব্যঞ্জন, যশোর, নাটক। অগ্নিবীনা কেন্দ্রীয় সংসদ, যশোর, সঙ্গীত। উজ্জ্বল সঙ্গীত একাডেমী, রাজবাড়ী, পল্লীগীতি। সাইক্লোন শিল্পী গোষ্ঠী, মণিরামপুর, যশোর, সঙ্গীত। মুক্তেশ্বরী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, যশোর, আবৃত্তি। উপস্থাপক (সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান)ঃ জনাব উজ্জ্বল ব্যানার্জী, কেশবপুর, যশোর ও এম এ হালিম, পাঁজিয়া, কেশবপুর, যশোর। তারার মেলা শিল্পীগোষ্ঠী, যশোর, সঙ্গীত। শতাব্দী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদ, যশোর, সঙ্গীত। সৃষ্টিশীল সাহিত্য ও সঙ্গীত একাডেমী, যশোর, সঙ্গীত। মাইকেল সঙ্গীত একাডেমী, যশোর, সঙ্গীত। থিয়েটার ক্যানভাস, যশোর, নাটক। যশোর ইন্সটিটিউট, নাট্যকলা সংসদ যশোর নাটক।

৩য় পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাত ৮.০০ টায় ছিল লাঠিখেলা, নড়াইল লাঠি খেলা গোষ্ঠী, নড়াইল। ব্যান্ড শিল্পী পিউ ও সিলভী এর পরিবেশনা, গান। কৌতুক অভিনেতা কাজল কর্তৃক কৌতুক পরিবেশনা। বিশেষ আকর্ষণ, যশোর যাত্রা ইউনিট কতৃক যাত্রাপালা: "স্বামীর চিতা জ্বলছে”।

মধুমঞ্চে সপ্তাহ ব্যাপী আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটক ও যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হচ্ছে। এ ছাড়া শিশুদের বিনোদনের জন্য আছে নাগরদোলা, জাদু প্রদর্শনী, পুতুলনাচসহ হরেক আয়োজন। গ্রামীণ জনপদের নিত্যপ্রয়োজনীয় ধামা, কুলা, ঝুড়ি, দা, কাঁচি, বঁটি ইত্যাদি বিক্রি হচ্ছে। পাওয়া যাচ্ছে শিশুদের জন্য কাঠের তৈরি নানান খেলনা। দানাদার, জিলাপি, বাতাসা, কদমা, ছাঁচের মিষ্টি, গজা, ল্যাংচা, সন্দেশ, রসগোল্লা, প্যাড়াসহ নানা পদের মিষ্টি মেলাকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)